
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামকে নতুন করে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশনা দিয়েছেন, তার ভিত্তিতে ২০২৬ সালের ১৭ ও ২৪ ফেব্রুয়ারিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের নিয়োগ এবং দায়িত্ব/দপ্তর বণ্টন করা হয়েছিল। এবার সেই বণ্টনের অংশ হিসেবে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামছুল ইসলামের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।
ড. শামছুল ইসলাম বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন এবং প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করছেন। নতুন দায়িত্বের মাধ্যমে তিনি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নানামুখী কর্মকাণ্ড তদারকি করবেন। এতে মূলত সামরিক প্রশিক্ষণ, সংযুক্ত কার্যক্রম, নিরাপত্তা নীতি, এবং প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত পরিকল্পনার সমন্বয় করা হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের দায়িত্ব পাওয়ার মাধ্যমে ড. শামছুল ইসলামের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দেশের প্রতিরক্ষা নীতি এবং সশস্ত্র বাহিনীর কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় সাধনে তিনি মুখ্য ভূমিকায় থাকবেন। এটি সামরিক ও বেসামরিক নীতি ও প্রশাসনের মধ্যে মসৃণ সমন্বয় নিশ্চিত করবে।
সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের দায়িত্ব গ্রহণের ফলে তিনি সামরিক প্রশিক্ষণ, নতুন প্রতিরক্ষা প্রকল্প, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার, এবং বাহিনীর দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। এছাড়া, প্রতিরক্ষা খাতে নীতি নির্ধারণ এবং সামরিক উদ্ভাবন ও আধুনিকায়নেও তার ভূমিকা বাড়বে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ড. শামছুল ইসলামের নেতৃত্বে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ দেশের নিরাপত্তা নীতি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে বিশেষ উদ্যোগ নেবে। তিনি দেশের প্রতিরক্ষা খাতের উন্নয়নে এবং সামরিক বাহিনীর কার্যক্রমের আধুনিকীকরণে কাজ করবেন।
ড. শামছুল ইসলাম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে দীর্ঘমেয়াদি অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন এবং সামরিক প্রশিক্ষণ, কৌশলগত পরিকল্পনা ও প্রশাসনিক দক্ষতায় পরিচিত। তার নেতৃত্বে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের কার্যক্রম আরও সংগঠিত ও কার্যকর হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
এই দায়িত্বপ্রাপ্তির ফলে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সমন্বয় আরও সুদৃঢ় হবে, যা দেশের প্রতিরক্ষা নীতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন মাত্রা প্রদান করবে।
মন্তব্য করুন